প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আমাদের সামনে খুলে দিতে পারে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তায় সমুদ্রের খনিজ সম্পদের ব্যবহার, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকে আমরা উন্নয়নের নিয়ামক ভূমিকা হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।
আজ সোমবার সকালে রাজধানীতে সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্র সম্পদের প্রাপ্যতা, উত্তোলন এবং ব্যবহার সম্পর্কে বাংলাদেশের পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল এবং প্রযুক্তির অভাব রয়েছে। তবে দক্ষ জনবল তৈরিতে ইতোমধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষাদান চালুর বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ওই দুই দেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বাংলাদেশ এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইলের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার অধিকার পেয়েছে।
সমুদ্র সীমা বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ বিষয়টি সবার জানা থাকলেও বিগত ৪০ বছর এর সমাধানে কেউ কোন বাস্তব পদক্ষেপ নেয়নি। বরং এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে।