‘পিনাক-৬ উদ্ধারে ব্যর্থতা প্রযুক্তিগত নয়, প্রাকৃতিক’

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘পিনাক-৬ লঞ্চটির উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যর্থতা প্রশাসনিক বা প্রযুক্তিগত নয়, বরং প্রাকৃতিক।’
 
সোমবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সেলিনা জাহান লিটার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, লঞ্চটি পদ্মায় ডুবে যাওয়ার সংবাদ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। টানা সাত দিন উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। লঞ্চটি সনাক্ত করার জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সাইড স্ক্যানার সোনার, মাল্টিবিম ইকো সাউন্ডার, সিঙ্গেল বিম ইকো সাউন্ডার এবং সাব-বটম প্রোফাইলার ব্যবহার করা হয়।
শাজাহান খান বলেন, উদ্ধার কার্যক্রমের ৬ষ্ঠ দিনে চট্টগ্রাম বন্দরের কান্ডারি-২ দিয়ে একটি ধাতব বস্তু সনাক্ত করা হয়। কিন্তু পদ্মা নদীতে প্রতি ঘণ্টায় ৬ নটিক্যাল মাইলের বেশি স্রোত থাকায় ও কখনো কখনো পানির নিচে ঘূর্ণি থাকায় এবং নদীর গভীরতা ৭০ ফুট হওয়ায় নৌবাহিনী, বিআইডব্লিউটিএ এবং ফায়ার ব্রিগেডের প্রশিক্ষিত ডুবুরিগণ জীবনের ঝুঁকি থাকায় চিহ্নিত স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হননি এবং সনাক্তকৃত ধাতব বস্তুটি উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং নদীর অস্বাভাবিক প্রবল স্রোতের কারণে পিনাক-৬ লঞ্চটির কার্যক্রম সফল হয়নি।