ব্লু ইকোনমি কর্মশালার সমপনীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সামুদ্রিক অর্থনীতি কাজে লাগাতে ব্যাপক সহযোগিতা মিলছে

 
 
 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, ব্লু ইকোনমি (সামুদ্রিক অর্থনীতি) কাজে লাগাতে ব্যাপক সহযোগিতা মিলছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পারস্পারিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও সমতাভিত্তিক স্বার্থের লক্ষ্যে এই সম্পর্ক জোরালো করতে হবে। আর উপকূলীয় রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়নে ব্লু ইকোনমির জন্য সবাই মিলে বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ব্লু ইকোনমি ব্যবহার করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঞ্চালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে কর্মশালায় উত্থাপিত বিষয়বস্তু তুলে ধরেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম এফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব:) খুরশিদ আলম ও মহাপরিচালক রিয়াজ হামিদুল্লাহ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্লু ইকোনমির বিচারে বলতে হবে বাংলাদেশ উন্নয়নের সূচনা পর্বে রয়েছে। এই ব্লুু ইকোনমি হতে হবে সমন্বিত এবং জনকেন্দ্রীক। এজন্য জনগণ, সম্প্রদায়, নীতি-নির্ধারকসহ সকল পর্যায়ে সমুদ্রভিত্তিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। মাহমুদ আলী বলেন, সমুদ্র ও মহাসাগরভিত্তিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট জ্ঞান অর্জন জরুরি। উপকূলীয় ও দ্বীপ অঞ্চলের উন্নয়নে জ্ঞান ও তথ্যের আদান-প্রদানও এক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্য-উপাত্ত অবশ্যই বৃহত্ জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। একইসঙ্গে উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিশ্বব্যাপী থাকা সমকালীন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ব্লু ইকোনমিকে কাজে লাগানোর জন্য উপকূলীয় রাষ্ট্রের সঙ্গতিপূর্ণ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত তথ্যের আদান-প্রদান করতে হবে। এজন্য উদ্ভাবনী বিনিয়োগও জরুরি। এক্ষত্রে বেসরকারী খাত বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এমনভাবে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে যাতে করে ব্লু ইকোনমিতে বেসরকারী বিনিয়োগ উত্সাহী হয়। একইসঙ্গে কার্যকর সুশাসনও নিশ্চিত করতে হবে।