সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্ত

পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, তিস্তা নদীর অন্তর্বর্তীকালীন পানিবণ্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আলোচনা পূর্বক অনতিবিলম্বে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে   আজ  সোমবার সংসদে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এম আবদুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী সংসদকে জানান, অসাধু উপায়ে কোরবানীর গরু মোটা করলে ব্যবস্থা নিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঝিনাইদহ-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী (মনমোহন সিং) বাংলাদেশ সফরকালে জনসমক্ষে বলে গেছেন যে, তিস্তার বিষয়ে দু’দেশের যে সমঝোতা হয়েছে-সে অনুযায়ী চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এর বাইরে ভবিষ্যতে অন্যকিছু নিয়ে আপাতত আমরা ভাবছি না। তাহজীব আলম প্রশ্ন করেন, তিস্তার বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে কিনা?
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) চেয়ারম্যান এসএম আবুল কালাম আজাদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, গঙ্গা বাঁধের বিষয়ে বিদেশি কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে কথা চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপান সরকারও এ ব্যাপারে সহায়াতার আশ্বাস দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের এমএ মান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার আনিস বলেন, নদী ভাঙন রোধ প্রকল্প অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এক মিটার নদী ভাঙন রোধ করতে ব্যয় হয় দেড়  থেকে ৫ লাখ টাকা। এক কিলোমিটারে এই খরচ ১৫ থেকে ৫০ কোটি টাকা।