অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট অফ জাস্টিসে চলমান পদ্মা সেতু মামলা সম্পর্কে কানাডার আরসিএমপি জানিয়েছে, তাদের কাছে দুর্নীতির যথেষ্ট প্রমাণ আছে। প্রমাণ আছে বলেই কেভিন ওয়ালেস, রমেশ শাহ এবং মোহাম্মদ ইসমাইলের পরে আবুল হাসান চৌধুরী ও জুলফিকার আলী ভূঁইয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক জানালো, আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সব আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কানাডার আদালতে এই মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই কোনো তথ্য প্রমাণ তারা দিবেনা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুই দুইবার কানাডা এসে শুন্য হাতে ফিরে গেছে। এমন কী আদালত মিডিয়াকেও সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সীমারেখা বেঁধে দিয়েছে।
মামলার শোনানির সময় শুরুর দিকে মাননীয় বিচারক ইত্তেকাফের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, এ মামলা চলবে দীর্ঘ দিন। রায় পেতে দুইএক বছর লেগে যেতে পারে। ইতোমধ্যে প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হচ্ছে।