সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় নিন্ম আদালতের দেয়া তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স ও দুই আসামির আপিল আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আব্দুল হাই ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই রায় দেন। রায়ে তিন আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আদেশে অনুমোদন দেয়া হয়। মৃত্যুদন্ডাদেশ পাওয়া তিন আসামি হলেণ, সাদ আহমেদ, রুহুল আমিন ও আতিক। এদের মধ্যে সাদ ও রুহুল কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন।
জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর সিলেটের গোলাপগঞ্জের নলুয়া হাওড় এলাকার একটি কাশবনে ১২-১৩ বছরের একটি মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। পরিচয় জানতে না পারায় আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম লাশটি দাফন করে। ওই ঘটনায় গোলাপগঞ্জ থানার এসআই তাপস সরকার একটি এজাহার দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে মেয়েটির পরিচায় পাওয়ার পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে চিহ্নিত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যা করে কাশবনে লাশ ফেলে যাওয়া হয়। ২০০৭ সালের ৮ জানুয়ারি আসামি সাদ ও রুহুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ওই বছরই সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল তিন আসামিকে ফাঁসির দন্ড দেয়। এরপর নিন্ম আদালতের ফাঁসি অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি কারাগারে থেকে দুই আসামি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী এসএম মুবিন মামলা পরিচালনা করেন।
ইঅ/চৌফে/শ২৩৫