প্রথম ম্যাচে ৩৬০ করেও জিততে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অথচ, দ্বিতীয় ম্যাচে ২৮৯ রান করেই জিতে গেল স্বাগতিকরা। এর জন্য সতীর্থরা কৃতজ্ঞ থাকতে পারেন পেসার শেলডন কটরেলের প্রতি। তার পাঁচ উইকেটের সুবাদেই ক্যারিবিয়ানদের দেওয়া ২৯০ রানের লক্ষ্যে ২৬৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি।
ফলাফল, ২৬ রানের জয় নিয়ে সিরিজে সমতায় ফেরালো উইন্ডিজ। কটরেল ছাড়াও তিনটি উইকেট নেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগামীকাল গ্রেনাডায় অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে।
টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে এবারো রানেই ছিলেন ক্রিস গেইল। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া এই বাঁ-হাতি এবার ৬৩ বলে করেন ৫০ রান। যদিও, শুক্রবার রাতে গেইলকে ছাড়িয়ে গেছেন আরেক ব্যাটিং দানব শেমরন হেটমায়ার। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন তিনি। ৮৩ বল খেলে চারটি ছক্কা ও সাতটি চারের সৌজন্য ১০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান।
ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত এই হেটমায়ারের ইনিংসের সুবাদেই ২৮৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শাই হোপ ৩৩, ড্যারেন ব্রাভো ২৫ ও জন ক্যাম্পবেল ২৩ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে মার্ক উড, লিয়াম প্লাঙ্কেট, আদিল রশিদ ও বেন স্টোকস একটি করে উইকেট নেন।
জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান ও বেন স্টোকস রান পেয়েছেন। স্টোকস ৭৯ ও মরগ্যান ৭০ রান করেন। যদিও, এর পরের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় আর লক্ষ্য ছোঁয়া তো দূরের কথা ৫০ ওভারের পুরোটা ব্যাটিংই করতে পারেনি দলটি। ৪৭.৪ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় দলটি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
টস: ইংল্যান্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৫০ ওভারে ২৮৯/৬ (গেইল ৫০, ক্যাম্পবেল ২৩, হোপ ৩৩, ব্রাভো ২৫, হেটমায়ার ১০৪*, হোল্ডার ৩, ব্র্যাথওয়েট ১৩, নার্স ১৩*; উড ১/৩৮, কারান ০/৬২, মঈন ০/৫১, প্লাঙ্কেট ১/৩৯, স্টোকস ১/৬২, রশিদ ১/২৮)
ইংল্যান্ড: ৪৭.৪ ওভারে ২৬৩ (রয় ২, বেয়ারস্টো ০, রুট ৩৬, মর্গ্যান ৭০, স্টোকস ৭৯, বাটলার ৩৪, মইন ১২, কারান ০, রশিদ ১৫, প্লানকেট ২, উড ১*; কটরেল ৫/৪৬, হোল্ডার ৩/৫৩, টমাস ১/৩২, নার্স ০/২৮, বিশু ০/৪৯, গেইল ০/১৫, ব্র্যাথওয়েট ১/৩৭)
ফলাফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৬ রানে জয়ী
ম্যাচ সেরা: শেমরন হেটমায়ার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সিরিজ: পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতা।