নির্দিষ্ট সময়ে ট্যানারি স্থানান্তরে ব্যর্থ হলে শিল্প প্লট বাতিল

 
যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্যানারি স্থানান্তরে ব্যর্থ হবে, সরকার চামড়া শিল্প নগরীতে তাদের প্লট বাতিল করে নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যে তা বরাদ্দ দেবে। এক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি ও যৌথ বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের অনেক প্রস্তাব বিবেচনার জন্য সরকারের হাতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। হাজারিবাগ হতে সাভারের চামড়া শিল্পনগরিতে ট্যানারি স্থানান্তর, নির্মাণাধীন সিইটিপি, ডাম্পিং ইয়ার্ড প্রভৃতি নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আয়োজিত সভা শেষে বুধবার সাংবাদিকদের শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শিল্পমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, চামড়া শিল্পনগরিতে কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) নির্মাণ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে। ২০১৫ সালের মার্চের মধ্যেই সিইটিপি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে হলে শিল্প বর্জ্য প্রয়োজন হবে। এর আগেই হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তর করে চামড়া শিল্পনগরিতে কারখানার নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে। তিনি ট্যানারি স্থানান্তরের চলমান প্রক্রিয়া সন্তুোষজনক বলে মন্তব্য করেন। 
সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কমপ্লায়েন্স অনুযায়ী পণ্য উত্পাদনে ব্যর্থ হলে, বাংলাদেশের চামড়াজাত পন্যের বিদেশি বাজার হারাবে। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে দ্রুত হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তরের জন্য শিল্প মালিকদের পরামর্শ দেন।
সভায় শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, পরিবেশ ও বন সচিব মোঃ নজিবুর রহমান, বিসিক চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ বিসিক, পরিবেশ অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বুয়েট, ঢাকা জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), বাংলাদেশ ফিনিসড লেদার, লেদার গুডস্ অ্যান্ড ফুট ওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ) ও নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।