আয় বেড়েছে ওষুধ ও জ্বালানি খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির

চলতি অর্থ বছরের প্রথম অর্ধে ওষুধ, জ্বালানি ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। গেল বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে এ খাতের কোম্পানিগুলো বড় রকমের প্রভাবিত হয়। ফলে অনেক কোম্পানিরই আয় কমে যায়। তবে এ বছর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সাথে সাথে কোম্পানিগুলোর আয়ও বাড়তে থাকে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যের ভিত্তিতে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস-এর গবেষণায় দেখা গেছে, চলতি অর্থ বছরের প্রথম অর্ধ বার্ষিক ও তিন প্রান্তিকে ওষুধ খাতের তালিকাভুক্ত ২৫টি কোম্পানির মধ্যে ২১টির ইপিএস (শেয়ারপ্রতি আয়) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। এছাড়া ইমাম বাটন কোম্পানি লিমিটেডের লোকসান আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। আর অ্যাক্টিভ ফাইন, লিব্রা ইনফিউশন এবং ওয়াটার কেমিক্যালের ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গেল অর্ধ বার্ষিকে কিছুটা কমেছে।
সমাপ্ত অর্ধ বার্ষিক ও তিন প্রান্তিক শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের তালিকাভুক্ত ২৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৭টি কোম্পানির আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। এর মধ্যে চারটি কোম্পানি লোকসান থেকে মুনাফার ধারায় ফিরে এসেছে। তবে ৭টি কোম্পানির আয় আগের বছরের তুলনায় কমেছে।
একই পরিস্থিতি দেখা গেছে জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোতেও। জ্বালানি খাতের ১৭টি কোম্পানির মধ্যে ৫টির আয় আগের বছরের তুলনায় কমেছে। অবশিষ্ট ১২টির আয় বেড়েছে।
শেয়ার বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানির আয় বাড়লে ওই কোম্পানির প্রতি মানুষের চাহিদা বাড়ে। কারণ কোম্পানির আয় বাড়লে তাদের লভ্যাংশ দেয়ার প্রবণতা বাড়ে। ফলে গত প্রায় আড়াই মাস ধরে বাজারে লেনদেনের সিংহভাগই হচ্ছে এ তিনটি খাত ঘিরে। বেশিরভাগ দিনই শেয়ার বাজারের মোট লেনদেনের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ হয়েছে এ তিন খাতে। এমনকি দাম বাড়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল ওষুধ, জ্বালানি ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের কোম্পানিগুলো।
এদিকে এ তিন খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বাড়ায় গোটা বাজারেই এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বেড়েছে লেনদেন ও সূচক।