উত্পাদনশীলতা বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের বন্ধ কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের গত মেয়াদে বেশ কিছু বন্ধ কারখানা চালু করা হয়েছিল। এ ধারা অব্যাহত রেখে চলতি মেয়াদেও বন্ধ কারখানা চালু করা হবে।’
বৃহস্পতিবার জাতীয় উত্পাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য ধারাবাহিক উত্পাদনশীলতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ সেমিনার আয়োজন করে।
শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্র সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইর সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহ্মদ, এনপিওর পরিচালক ড. মো. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম পরিচালক আব্দুল বাকী চৌধুরী আলোচনায় অংশ নেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের শিল্প প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কৃষিখাতের উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি শ্রীলংকায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল রপ্তানির সরকারি সিদ্ধান্তের প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সেমিনারে বক্তারা যুব জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে জাতীয় পর্যায়ে উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির সুযোগ দেয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, শিল্পখাতে বিরাজমান অপার সম্ভাবনা বিবেচনা করেই জাপানসহ অন্যান্য উন্নত দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা কৃষি, শিল্প, সেবাসহ সকলখাতে উত্পাদনশীলতা বাড়িয়ে সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা জোরদারের পরামর্শ দেন।