শেয়ারবাজারে দর সংশোধন

 
 
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চার কর্মদিবসে একটানা প্রায় তিনশ’ পয়েন্ট বাড়ার পর গতকাল সোমবার কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে। সোমবার ডিএসই’র সার্বিক সূচক কমেছে ২৪ পয়েন্ট। তবে সূচক কমলেও ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। ডিএসই’র তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এদিকে গত দুই তিন কার্যদিবসে যেসব কোম্পানিগুলোর শেয়ার বেড়েছিল সেগুলোর দর সংশোধন হয়েছে।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩০৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বেশি। শতাংশের হিসাবে ডিএসইতে লেনদে বেড়েছে ১০ ভাগ। লেনদেনকৃত ৩০৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৮টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৯ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৪০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৪০টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৭টির কমেছে ১২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতার কারণেই বাজারে দর পতন হয়েছে। এদিকে দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল মবিল যমুনা। কোম্পানিটির দাম বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশেরও বেশি। আর জ্বালানি ও ব্যাংকিং খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির দাম কমলেও লেনদেনে এগিয়ে ছিল এ দুটি খাত।