লাকসামে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

লাকসাম রেলওয়ে জংশন কাঁঠাল বাগান সড়কের মেরামত ও সংস্কার কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বার বার অভিযোগ করা হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি। স্থানীয়দের আশঙ্কা চলতি বর্ষাকালেই সড়কটি আবারও দিঘীতে ভেঙে পড়বে। ফলে ওই সড়ক আবারো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। সরেজমিনে দেখা যায়, রেলওয়ের পুরাতন বিট (রেললাইন) পুঁতে এবং দিঘী থেকে ড্রেজিং করে কাদামাটি দিয়ে তা ভরাট করে যেন-তেনভাবে রাস্তাটির সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে। এছাড়াও ওই দিঘীর পাশ দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন ও লোকোশেড থাকার ফলে ওই দিঘী ড্রেজিং করায় তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। 

স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়, লাকসাম রেলওয়ে শ্রমিক কর্মচারীদের আবাসিক কোয়ার্টারে যাতায়াতের ওই রাস্তাটি ভেঙে পার্শ্ববর্তী দিঘীতে তলিয়ে যায়। এতে ওই কলোনিতে বসবাসরত শ্রমিক কর্মচারী ও তাদের পরিবার-পরিজনদের হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে রেল কর্তৃপক্ষ এটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। লাকসাম রেলওয়ে আইডব্লিও অফিসের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারের সাথে কাজটি চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু রেলের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্ব অবহেলা ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে রাস্তাটি কোনোমতে সংস্কার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ: সংস্কার করা রাস্তাটির কাজের মান এতই নিম্ন যে এবারের বর্ষা মৌসুমেই এটি আবারো দিঘীতে তলিয়ে যেতে পারে।  এ বিষয়ে লাকসাম রেলওয়ে জংশনের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ফেনীর আইডব্লিও আতিকুর রহমান জানান, আমি সদ্য যোগদান করেছি। যতটুকু জানি রেলওয়ের পুরাতন বিট রেল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করেছে, তবে দিঘী থেকে ড্রেজিং করে কাদা-মাটি উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

সদ্য বদলিকৃত কুমিল্লার আইডব্লিও রাম নারায়ণ ধর জানান, কাজ যেভাবে করার কথা সেভাবেই হচ্ছে। তিনি আর কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।