ড. ফ্রান্সিস গারি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত মধ্যম-আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে জ্ঞান-ভিত্তিক শিল্পায়নের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীল উদ্ভাবনে আগ্রহ সৃষ্টিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি জানান— বাংলাদেশের মেধাসম্পদের উন্নয়নে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এর আগে শিল্পমন্ত্রী জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের দ্বি-বার্ষিক বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড লিডার্স ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেন। এতে অন্যদের মধ্যে আঙ্কটাডের মহাসচিব ড. মুখিসা কিটুই, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সেরও মহাসচিব জন ডেনিলোভিচ ও আমেরিকার অর্থনীতিবিদ জেফরে সেকস আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্তরায় ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ জরুরি। তারা এর জন্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার তাগিদ দেন।