সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও গত তিন দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে এবং সামাজিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহ বিশাল ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সময়কালে নানামমুখী ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ খাতের বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তন হয়েছে। এখন সময় এসেছে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠনের ভবিষ্যত্ করনীয় নির্ধারণের। একই সঙ্গে ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত ব্যবস্থাপনাও জরুরি হয়ে পড়েছে।
শনিবার রাজধানীর পিকেএসএফ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ মত ব্যক্ত করেন। সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক ওই সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোফিন্যান্স (আইএনএম), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
সম্মেলনের প্রথম দিনে সারাদেশ থেকে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতা, ক্ষুদ্র-উদ্যোক্তা এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাঠকর্মী তাদের সমস্যা ও সফলতার কথা তুলে ধরেন। দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আলাদা তিনটি সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন যথাক্রমে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরুজ চুমকি এবং অর্থ মন্ত্রানালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক।
এম এ মান্নান বলেন ক্ষুদ্রঋণের মত এই বিশাল খাতকে আরো বেশি কার্যকর ও কল্যানমুখী করতে এমআরএ কে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে। এ খাতের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা তৈরির বিষয়েও তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ খাতকে শক্তিশালী করতে পারলে আমাদের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে আগামী ৫ বছরে দ্বিগুণ হতে পারে।