গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইউপি সদস্যের হামলায় উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরে আলম নান্টু (৪৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মতিয়ার রহমান ও তার লোকজন সোমবার সকাল ১০টার দিকে এই হামলা চালায়। পরে স্থানীয় লোকজন অজ্ঞান অবস্থায় চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঘটনার পর থেকে ইউপি সদস্য মতিয়ার পলাতক।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, হাট-বাজারের উন্নয়ন কাজের একটি প্রকল্পের আওতায় নলডাঙ্গারকাচারি বাজারে ড্রেনের রিংস্লাব নির্মাণের কাজ চলছিল। সকালে নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মতিয়ার রহমান নির্মাণ কাজে বাধা দেন। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান নুরে আলম নান্টু ঐ এলাকায় যান। এসময় তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে মতিয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যানকে ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন। পরে মতিয়ারের সঙ্গে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানকে বেদম প্রহার করে।
চেয়ারম্যান নুরে আলম নান্টুর স্ত্রী ইতি বেগম জানান, ইউপি সদস্য মতিয়ারের এলাকায় ঐ প্রকল্পের কাজ হচ্ছিল। একারণে তিনি চেয়ারম্যানের কাছে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চেয়ারম্যান তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এনিয়ে সম্প্রতি তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ কারণে তারা পরিকল্পিতভাবে তার (চেয়ারম্যান) ওপর হামলা চালায়।
এনিয়ে কথা বলার জন্য ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সাদুল্লাপুর থানার ও সি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মতিয়ার ও তার লোকজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু পলাতক থাকায় তাদের ধরা যাচ্ছে না।