সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে কাভার্ড ভ্যানে করে ৭০ মেট্রিক টন চাল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে প্রবেশ করেছে। ত্রিপুরা রাজ্যের খাদ্য গুদামের কর্মকর্তারা বন্দরে উপস্থিত থেকে চালবাহী কার্ভার্ডগুলো বুঝে নেন। এ সময় উভয় দেশের কাস্টম্স ও বন্দরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল নয়টায় আশুগঞ্জ নৌ বন্দর থেকে চালবাহী চারটি কাভার্ড ভ্যান সড়ক পথে আখাউড়া স্থল বন্দরে এসে পৌঁছে।
গতকাল রবিবার বিকেলে ৫ হাজার টন চাল নিয়ে চারটি কার্গো জাহাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌ বন্দরে নোঙর করে। ১৯৭২ সালের নৌ প্রটোকল চুক্তির আওতায় ১০ হাজার টন চাল যাচ্ছে ভারতের ত্রিপুরায়। চলতি বছরের আগষ্ট মাসে ৫ হাজার টন চাল ত্রিপুরায় নেয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, ভারতের অনুরোধে মানবিক কারণে নৌ-প্রটোকল চুক্তির আওতায় মাসুলবিহীন সাময়িক ট্রানজিট হিসেবে ১০ হাজার মেট্রিক টন চাল পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ৩শ কিলোমিটার নৌপথ ও আশুগঞ্জ-আখাউড়া ৫০ কিলোমিটার সড়কপথ পরিবহনের অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সরকার। সেই মোতাবেক ১০ হাজার টন খাদ্য পণ্য ত্রিপুরা নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবহন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গালফ ওরিয়েন্ট সিওয়েজকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। গালফ ওরিয়েন্ট সিওয়েজ আগষ্ট মাসে ৫ হাজার টন চাল ত্রিপুরায় পাঠিয়েছে। বাকি ৫ হাজার টন চাল নিয়ে ৪টি কার্গো জাহাজ গত ৬ অক্টোবর কলকাতার ডায়মন্ড হারবার পোর্টে থেকে আশুগঞ্জ নৌবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। এসব খাদ্য পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশের কার্গো জাহাজ ও ট্রাক।
আশুগঞ্জ নৌবন্দরের পরিবহন পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, জাহাজ থেকে এসব চাল আনলোড করে সোমবার সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরার উদ্দেশে পাঠানো শুরু হয়েছে। পরিবহন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গালফ ওরিয়েন্ট সিওয়েজ এর লজিস্টিক ব্যবস্থাপক মো. নুরুজ্জামান জানান, কলকাতা ডায়মন্ড হারবার পোর্ট থেকে ৫ হাজার টন চাল নিয়ে এমভি গালফ- ৩, এমভি গালফ - ৭, এমভি দত্তপাড়া ও এমভি রাইড - ১ এই ৪ টি জাহাজ রবিবার বিকালে আশুগঞ্জ নৌ বন্দরে আসে।