চন্দন বর্ম্মণ
একটানা বেশি পড়বে না
বিশেষজ্ঞের মতে, মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা টানা ২৫-৩০ মিনিট পরিশ্রমের পর কমতে থাকে। তাই ঘন্টার পর ঘণ্টা বই নিয়ে পড়ে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করো। পড়ার সময়কে ছোট আকারে সাজিয়ে ফেলো। পড়ার সময় ভাগ ভাগ করে ফেলো। প্রতি ভাগের পড়া শেষ হলে পাঁচ মিনিটের বিরতি দিতে পারো। এই সময়টুকুতে তুমি কিছু গান শুনতে পারো কিছু খাওয়া বা সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করতে পারো।
মূলবই বুঝে পড়ো
ছোট ছোট তথ্য আর তত্ত্বগুলো মুখস্থ রাখবে। বাকি বিষয়গুলো বুঝতে হবে। তাই সব সময় বুঝে বুঝে পড়বে। তাহলে তুমি যেকোনো বিষয় নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করতে পারবে এবং পরীক্ষায় ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারবে। তোমার পড়া বিষয় থেকে যে কেউ কোনো প্রকার প্রশ্ন করলে তুমি তা সহজেই বুঝিয়ে বলতে পারবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে মুখস্থবিদ্যার খুব একটা স্থান নেই। বুঝে বুঝে পড়লে যেকোনো ধরনের উদ্দীপকই দেয়া হউক না কেন, তুমি তা সহজেই গুছিয়ে লিখতে পারবে।
বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করো
পড়ার সাথে বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করতে পারো। কেবল একটি বই থেকে পড়তে গেলে তোমার তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে না। তাই সব ধরনের সোর্সের সাহায্য নিতে হবে। সকল বন্ধু বান্ধব সহপাঠি মিলে স্টাডি সার্কেল গঠন করতে পারো। বিভিন্ন বই, ইন্টারনেটের সহযোগিতা নিতে পারো। শিক্ষামূলক অনেক গুলো সাইট আছে সেখান থেকে পড়তে পারো তোমার উপযোগি বিষয়ে। স্কুল, কলেজে বিভিন্ন ধরনের ক্লাব থাকে সেই ক্লাবের সদস্য হতে পারো। বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য সকল শাখাই ক্লাব থাকে। সেখানে অনেক ইনোভেটিভ বিষয়ভিত্তিক এসাইনমেন্ট দিয়ে থাকেন ক্লাব মডারেটর। বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতায় অংশ নেবে। এতে তোমার আত্মবিশ্বাস, ব্যাক্তিত্ব বৃদ্ধি পাবে। বিভিন্ন সোর্সের সাথে যুক্ত হতে পারবে। যোগাযোগ বাড়বে নানান সোর্সের সাথে। তুমি নিজেকে সেখানে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাবে।