জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, ‘‘সংখ্যাতত্ত্বের দিক থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সম্প্রসারণ ঘটেছে, এখন আবশ্যক গুণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা। এটি আজ গ্লোবাল কনসার্ন। তাই জাতিসংঘের এসডিজি-২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার ৪ নম্বর দফায় ‘মানসম্পন্ন শিক্ষার’ বিষয়টি স্থান পেয়েছে।” জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত হয়েছে।
তিনি শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সিনেট অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান এমএ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর, অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহান মিয়া, বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, চেয়ারম্যান, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড, অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি কলেজ, রংপুর সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, হালুয়াঘাট কলেজ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজ, অজিত গুহ কলেজে অধ্যক্ষরা শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
অধিবেশনের শুরুতে গত একবছরে দেশে ও দেশের বাইরে যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মৃত্যুবরণ করেন এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি পুরাতন ঢাকার চকবাজারে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে যেসব লোক নিহত হয়েছেন, তাঁদের স্মরণে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজ মু. হাসান বাবু, অধ্যাপক ড. মোঃ মশিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক নোমান-উর রশীদ, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজের অধ্যক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনসহ মোট ৬০ জন সদস্য অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।