মঙ্গলবার সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর এলাকা থেকে হাবিবা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হাবিবা আক্তার টুমচর এলাকার আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি পৌর শহরের সামসেরাবাদ গ্রামে। নিহত গৃহবধূর বাবার অভিযোগ, যৌতুকের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে হত্যা করেছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুবেল হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকালে হাবিবার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ওই গৃহবধূর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা বলা যাবে। এরপর প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাবিবার বাবা আবদুল আজিজ বলেন, দেড় বছর আগে আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে হাবিবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য হাবিবাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আবদুর রাজ্জাককে কয়েক দফায় যৌতুকের টাকাও দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও এক দেবরের সঙ্গে হাবিবার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে হাবিবাকে তারা বেদম মারধর করে। সোমবার রাতে হাবিবাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে হাবিবা আত্মহত্যা করেছে বলে এলাকায় প্রচার চালায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তাঁর দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
হাবিবার বাবা আবদুল আজিজ বলেন, দেড় বছর আগে আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে হাবিবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য হাবিবাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। আবদুর রাজ্জাককে কয়েক দফায় যৌতুকের টাকাও দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার বিকেলে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও এক দেবরের সঙ্গে হাবিবার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে হাবিবাকে তারা বেদম মারধর করে। সোমবার রাতে হাবিবাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে হাবিবা আত্মহত্যা করেছে বলে এলাকায় প্রচার চালায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তাঁর দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে হাবিবার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।
পলাতক থাকায় অভিযোগ সম্পর্কে আবদুর রাজ্জাকের পরিবারের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ঘটনার মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।