সোহাগের জন্য তৈরী সালাউদ্দিন

 
 
সোহাগ গাজী কবে মালয়েশিয়া রওনা দেবেন, সেটা এখনও ঠিক হয়নি। তবে মালয়েশিয়ায় তাকে নিয়ে কাজ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশের সাবেক ফিল্ডিং কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। সালাউদ্দিনকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তান অবজারভার লিখেছে, সোহাগের সঙ্গে নিজের তৈরী করা একেবারে নতুন একটি সফটওয়ার দিয়ে কাজ করতে চান সালাউদ্দিন।
 
এদিকে কিছু সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত পুনর্বাসনের জন্য মালয়েশিয়া যাওয়ার কোনো প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ায় খুবই হতাশ সোহাগ গাজী। তিনি নাকি খুবই বিস্মিত ও দুঃখিত এ কারণে যে, তার ভিসার কোনো প্রক্রিয়া এখনও বিসিবি শুরু করেনি। কিন্তু বিসিবির একটি সূত্র আবার বলছে, সোহাগের ভিসার জন্য তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নেয়া হয়েছে। সোহাগ তার কিছু কাগজপত্র দিতে দেরী করায় ভিসার আবেদন করতে দেরী হয়েছে। 
তবে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান এসব বিতর্কিত ব্যাপার কিছুই বললেন না। তিনি শুধু বললেন, ‘বিসিবি খুবই আন্তরিকভাবে সোহাগকে দ্রুত মালয়েশিয়া পাঠানোর চেষ্টা করছে। সে জন্য যেসব কাজ দরকার, তা করা হচ্ছে।’
মালয়েশিয়া গেলে সোহাগকে নিয়ে কী কাজ করা হবে, তার একটা ধারণা আগেও সালাউদ্দিন দিয়েছিলেন। পাকিস্তান অবজারভারকে তিনি বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না যে, কতোদিন সময় লাগবে সোহাগের অ্যাকশন ঠিক করতে।’ তিনি জানিয়েছেন, অন্য কারো সফটওয়ার এ কাজে তিনি ব্যবহার করবেন না। নিজের তৈরী করা একটা সফটওয়ারই ব্যবহার করবেন। 
সোহাগের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের কোন মাঠ ব্যবহার করা হবে না। এ ব্যাপারে সালাউদ্দিন বলেন,‘তার ট্রেনিং চলবে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়ার মালিকানাধীন মাঠে। আমি আমার নিজস্ব সফটওয়ার এবং ভিডিও ক্যামেরার উন্নতি ঘটিয়েছি। আমি খুব বেশি প্রযুক্তির ব্যবহার করবো না। আমার নিজস্ব সফটওয়ারই তার সাথে কাজ করার জন্য যথেষ্ঠ হবে।’
তার থাকার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে গাজি থাকবেন ইউনিভার্সিটি হোটেলে। যদি দরকার পড়ে ১৫ নভেম্বরের পর আমি হয়তো তার সাথে আরো কাজ করার জন্য বাংলাদেশেও যেতে পারি।’
সালাউদ্দিন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ডেভ হোয়াটমোর, জ্যামি সিডন্সের সাথে কাজ করেছেন। এ বছরের শুরুতে শেন জুর্গেনসেনের সাথেও কিছু সময় কাজ করেছেন তিনি। আবদুর রাজ্জাকের বোলিং অ্যাকশন ঠিক করার পেছনেও মুল ব্যক্তি ছিলেন এই বিশেষজ্ঞ কোচ।