বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারের কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে শেয়ার মূল্যকে প্রভাবিত করার অভিযোগে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নের্তৃত্বে গঠিত পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ অভিযোগ আসে। পরে কমিশন ওই অভিযোগের বিষয়ে দুইবার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে। কমিশনের তদন্তে সংগৃহিত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয়েছে, অমনিবাস হিসাবসমূহের মাধ্যমে মোসাদ্দেক আলী আইএফআইসি ব্যাংক এবং গোলাম মোস্তফা ইস্টল্যান্ড ইন্সুরেন্স, নাভানা সিএনজি, অলিম্পিক ইন্ডাষ্ট্রিজ, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স এবং ফার্স্ট লিজ ইন্টারন্যাশনাল-এর শেয়ারের অস্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে ওইসব শেয়ারের কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে শেয়ার মূল্যকে প্রভাবিত করে। এ ছাড়া তারা তাদের অস্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে অ্যাকটিভ ট্রেড এর মিথ্যা ও ভ্রান্ত চিত্র তৈরি করে শেয়ারের মূল্যকে প্রভাবিত করে। পরবর্তীতে তাদেরকে শুনানীর সুযোগ দেয়া হয়। তারা শুনানিতে তাদের পক্ষে ব্যাখ্যা দেন, যা কমিশনের কাছে গ্রহণযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হয়নি। এজন্য কমিশন তদন্ত প্রতিবেদনে শেয়ার মূল্য প্রভাবিত (ম্যানুপুলেশন) করার অভিযোগ এর উপর ভিত্তি করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিনেন্স, ১৯৬৯ এর সেকশন ১৭ ভঙ্গের কারণে মোসাদ্দেক আলীকে এক কোটি এবং গোলাম মোস্তফাকে তিন কোটি টাকা জরিমানা করেছে।