নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় অপহরণ থেকে শুরু করে হত্যার পুরো কিলিং মিশনে ছিল র্যাবের ল্যান্স কর্পোরল রুহুল আমিন। সাতজনকে যখন অপহরণ করা হয় তখন তাদের মুখে চেতনানাশক স্প্রে করেন তিনি। তবে পুরো ঘটনায় তিনি শুধুমাত্র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ পালন করেছেন- ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন কথাই বলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
এর আগে নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন সরকার মেয়ের জামাতা বিজয় কুমার পালের দায়ের করা মামলায় চতুর্থ দফায় রিমান্ডে ছিলেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত র্যাবের ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও দুই নম্বর ওয়াডের্র কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠা ছয়জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন ১ মে বাকি একজনের লাশও নদীতে ভেসে ওঠে।