পুঁজিবাজারে টানা দ্বিতীয়দিনের মতো সূচকের পতন হয়েছে। এ দুইদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে ১০৮ পয়েন্ট। একইসঙ্গে কমছে লেনদেনের পরিমাণও। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সূচকে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও লেনদেন এখনও ছয়শ’ কোটি টাকার উপরেই আছে। তবে লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন তালিকাভুক্ত ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের প্রাধান্য ছিল। এছাড়া জ্বালানি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ওষুধ খাতে লেনদেন হয়েছে ডিএসই’র মোট লেনদেনের ৫৭ ভাগেরও বেশি।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৯৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা কম।
লেনদেনকৃত ৩০৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১ট কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯১ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৬১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২০ কোটি টাকা কম।
লেনদেনকৃত ২২৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮১টির কমেছে ১৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, শাহজীবাজার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডাদের জন্য ৩০ জুনে সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ২৭ নভেম্বর। এদিকে অটোমোটেড ট্রেডিং সিস্টেম চালু করার সুবিধার্থে হাউজগুলোর ব্যাক অফিস প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে ডিএসইর সদস্য ব্রোকার হাউজগুলোকে ব্যাক অফিস সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। অটোমোডেট ট্রেডিং সিস্টেম চালুর আগে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে যাতে বিড়ম্বনা না হয় সে জন্য ব্যাক অফিস সিস্টেম জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রত্যেক হাউজে চিঠি দেওয়া হয়েছে।