আট শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির জন্য ভারতে রোডম্যাপ

 
তিন দিনব্যাপী ইন্ডিয়া সামিট বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। নয়াদিল্লীতে আয়োজিত এ সামিটের সমাপনী সেশনে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির মহাপরিচালক চন্দ্রজিত্ ব্যানার্জি বলেছেন, ৮ শতাংশের বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য ভারতের নতুন সরকার নতুন নতুন নীতি ও সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। সঠিক রোডম্যাপের ভিত্তিতেই ভারত এগিয়ে যাচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজের সিইও ও প্রেসিডেন্ট জেমস হোগ্যান বলেন, ভারতের সরকার ও বেসরকারি উভয় খাতের সঠিক নেতৃত্ব দেশটির অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশটির রোডম্যাপ সঠিকভাবেই নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার এমডি ও চেয়ারম্যন আনন্দ মাহিন্দ্রা বলেছেন,  সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে জ্বালানি খাতের উপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এটা খুব যথাযথভাবেই করা হচ্ছে।
সামিটের অন্য এক সেশনে ভারতের বিদ্যুত বিদ্যুত, কয়লা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পিজুস গয়াল জ্বালানির চাহিদা মেটাতে আগামী ৫ বছরে কয়লা উত্পাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন। কয়লাকে বিদ্যুত উত্পাদনের প্রধান উপাদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে ২০১৯ সালে কয়লা উত্পাদন এক বিলিয়ন টনে উন্নীত হবে। এ বছর ৫০০ মিলিয়ন টন কয়লা উত্পাদন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুত উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। তবে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে নিউক্লিয়ার এনার্জির বিষয়ে কিছুটা উদ্বিগ্নতা রয়েছে। কারণ এ ক্ষেত্রে পরিবেশ ও জনজীবনে কি ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
পিজুস গয়াল আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতে আগামী ৫ বছরে ভারতের জ্বালানি খাতে প্রায় আড়াইশ’ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসতে পারেন।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন কোরিয়ার হাংওয়া গ্রুপের এমডি ডং, কুন কিম, ভারত লাইট এন্ড পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট তেজপ্রিত সিং চোপড়া এবং রকফেলার ফাউন্ডেশনের এমডি আশ্বিন দয়াল সহ আরও অনেকে।