শুক্রবার বিকেলে ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালে নোঙর করা একটি লঞ্চে হামলা, ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ভোলার চরফ্যাশন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এম ইমন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ এমভি নিউ সাব্বিরের মালিক আরিফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁর লঞ্চটি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঘোষেরহাট থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। তাতে চরফ্যাশন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এম ইমনও যাত্রী ছিলেন। রাতে ইমনের কেবিনে গিয়ে ভাড়া চাইলে তিনি ভাড়া দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে তিনি লঞ্চের কর্মচারী মো. সরোয়ারকে মারধর করেন। পরে লঞ্চের অন্য কর্মচারীরা গিয়ে ইমনের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করেন।
শুক্রবার সকালে লঞ্চটি সদরঘাট টার্মিনালে পৌঁছায়। বিকেল পাঁচটার দিকে লঞ্চটি সদরঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে চরফ্যাশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সময় ইমন ছাত্রলীগের একদল কর্মী নিয়ে এসে লঞ্চটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এতে বাধা দিতে গেলে তাঁরা লঞ্চের অডিটর সাইফুল ইসলামসহ চার-পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহত লঞ্চকর্মী সাইফুলকে পুরান ঢাকার সুমনা ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এম ইমন বলেন, পানি চাওয়া নিয়ে কেবিনে থাকা তাঁর ছোট ভাইদের সঙ্গে কেবিন বয়ের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চাঁদপুরে নেমে যান। লঞ্চের কর্মীদের মারধর ও ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামালউদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তাঁরা এ হামলার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এম ইমন বলেন, পানি চাওয়া নিয়ে কেবিনে থাকা তাঁর ছোট ভাইদের সঙ্গে কেবিন বয়ের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চাঁদপুরে নেমে যান। লঞ্চের কর্মীদের মারধর ও ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামালউদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তাঁরা এ হামলার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।