জাহাজ থেকে ৭ জন নিখোঁজের ঘটনায় মামলা

 
লাইটারেজ জাহাজ কর্ণফুলী-৫ থেকে ৭ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় কমলনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন শরিয়ত পুর জেলার আবদুস সালাম জাহিদ। সালাম জানান, জাহাজের মালিক ব্রাদার্স নেভিগেশন কোং লিঃ। তিনি ভাড়ায় এনে তা পরিচালনা করেন। অভিযুক্তরা হলেন, লস্কর টিটু  শামীম, শামীমের খালাতো ভাই অজ্ঞাত নামা মেহমান, ও অজ্ঞাত নামা বাবুর্চি।
 নিখোঁজরা হলেন জাহাজের চালক(মাষ্টার) এনামুল হাছান মোকিত (নড়াইল জেলা), ইঞ্জিন চালক (ড্রাইভার) নূর নেওযাজ (মাগুরা জেলা), সুকানি শাকিল, লস্কর  শামীম, টিটু, অজ্ঞাতনামা মেহমান ও বাবুর্চি। জাহাজের বিভিন্ন জায়গায় ছোপ-ছোপ রক্ত, চামড়া যুক্ত মাথার চুল বিশেষ করে মাষ্টারের রুমে জমাট বাঁধা রক্তের দাগ। পুলিশ রক্তাক্ত ১টি সোলাই রেঞ্জ জব্দ করেছে।
জাহাজের বাবুর্চি নিয়োগ জটিলতা ছাড়া ও মাষ্টার এবং ইঞ্জিন চালকের সাথে অভিযুক্তদের  অন্য কোন গোপনীয় বিষয় নিয়ে বিরোধের জের হিসাবে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত হুমায়ুন কবীর ধারণা করছেন ।
জাহাজটি চট্টগ্রামের কাফকো সার কারখানা থেকে সার বোঝাই করে পাবনার বাঘা বাড়ী যাওয়ার পথে শুক্রবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উজেলার চর আবদুল্যা নামক স্থানের মেঘনা নদীতে ঘটনাটি ঘটে। পরে জাহাজটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় ভেসে এসে কমলনগর উপজেলার তালতলি নামক ফিস ঘাটের নিকটবর্তী নোঙর করা অপর একটি জাহাজের সাথে ধাক্কা খায়। 
লাইটারের কেবিন থেকে উদ্ধার হওয়া লস্কর মো.মাহবুব হোসেন ও জাহিদুর  জানায়, তারা কেবিনে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন, শোর-গোলে তাদের ঘুম ভেঙে যায় এসময় টিটু মাহবুবের নিকট থেকে মোবাইল ফোনটি মোবাইল করবে বলে নিয়ে যায়। কেবিন বাইরে থেকে তালা মারা থাকায় তাঁরা বের হতে পারেননি। বিষয় সম্পর্কে তারা যথাযথ কোন তথ্য দিতে পারেন নি।