গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে দুই তরুণকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে যশোরের কোতোয়ালি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ দুই তরুণ হলেন যশোর শহরের বারান্দি মোল্লাপাড়া এলাকার হাফিজুর রহমান ও সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের পুলিশ হেফাজতে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে মিজানুর তাঁর বাবার সঙ্গে মাইক্রোবাসে যাত্রী আনা-নেওয়ার কাজ করেন।
পুলিশের দাবি, গুলিবিদ্ধ দুজনই ছিনতাইকারী। তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথমে বোমা হামলা চালান। এ সময় পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে হাফিজুর ও মিজানুর পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের কাছ থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, দুটি গুলি, তিনটি হাতবোমা ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মাদকের মামলা রয়েছে।
তবে যে এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ দাবি করেছে সেটি নার্সারিপট্টি নামে পরিচিত একটি নির্জন এলাকা। আশপাশে কোনো বাড়িঘর নেই।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিজানুর রহমানের বক্তব্য, বৃহস্পতিবার ভোরে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শোয়েব উদ্দীনের নেতৃত্বে তিনটি গাড়িতে কয়েকজন পুলিশ তাঁদের বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকে। পরিচয় নিশ্চিত হয়ে পুলিশ তাঁকে চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তোলে। গাড়িটি বেশ কিছু দূর যাওয়ার পর তাঁকে নামানো হয়। এরপর তাঁর ডান হাঁটুতে দুটি গুলি করে। তারপর তাঁর হাতকড়া ও চোখ খুলে দেওয়া হয়।
মিজানুরের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় এসআই তাঁকে বলেন, ‘তুই খুনি। তুই সাইফুল্লাহকে খুন করেছিস।’ এ সময় সাইফুল্লাহকে তিনি চেনেন না এমন কথা বললেও এসআই তা শোনেননি।
উল্লেখ্য, ১০ নভেম্বর রাতে নার্সারিপট্টি এলাকায় যশোরের উপশহর কলেজের সম্মান প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. সাইফুল্লাহকে খুন করে দুর্বৃত্তরা।
মিজানুরের বাবা ইকবাল হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে ধরে এনে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে পুলিশ তাঁর ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মিজানুরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এর আগে ফেনসিডিলের একটি মামলা দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় তিনি জামিনে জামিনে রয়েছেন। তিনি আরও জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের কোনো মামলা নেই।
মিজান বলেন, ‘আমাকে গাড়ি থেকে নামানোর পর আরও কয়েকটি গুলির শব্দ শুনি। পরে দেখি হাফিজুর নামে আমার এক পরিচিতের পায়েও গুলি করা হয়েছে।’ এ বিষয়ে গুলিবিদ্ধ হাফিজুর রহমানের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক বলেন, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ওই দুজনহ মোট পাঁচজন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। টহল পুলিশ সেখানে গেলে তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালান। বোমা বিস্ফোরণের পর পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে হাফিজুর ও মিজানুর পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। অন্য তিনজন পালিয়ে যায়। তাঁর দাবি, এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মাদকের মামলা রয়েছে।
বাড়ি থেকে ধরে এনে গুলি করা হয়েছে—মিজানুরের এমন অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য অপরাধীরা এমন কথা বলে থাকে।
তবে যে এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ দাবি করেছে সেটি নার্সারিপট্টি নামে পরিচিত একটি নির্জন এলাকা। আশপাশে কোনো বাড়িঘর নেই।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিজানুর রহমানের বক্তব্য, বৃহস্পতিবার ভোরে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শোয়েব উদ্দীনের নেতৃত্বে তিনটি গাড়িতে কয়েকজন পুলিশ তাঁদের বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকে। পরিচয় নিশ্চিত হয়ে পুলিশ তাঁকে চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তোলে। গাড়িটি বেশ কিছু দূর যাওয়ার পর তাঁকে নামানো হয়। এরপর তাঁর ডান হাঁটুতে দুটি গুলি করে। তারপর তাঁর হাতকড়া ও চোখ খুলে দেওয়া হয়।
মিজানুরের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় এসআই তাঁকে বলেন, ‘তুই খুনি। তুই সাইফুল্লাহকে খুন করেছিস।’ এ সময় সাইফুল্লাহকে তিনি চেনেন না এমন কথা বললেও এসআই তা শোনেননি।
উল্লেখ্য, ১০ নভেম্বর রাতে নার্সারিপট্টি এলাকায় যশোরের উপশহর কলেজের সম্মান প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. সাইফুল্লাহকে খুন করে দুর্বৃত্তরা।
মিজানুরের বাবা ইকবাল হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে ধরে এনে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে পুলিশ তাঁর ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মিজানুরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এর আগে ফেনসিডিলের একটি মামলা দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় তিনি জামিনে জামিনে রয়েছেন। তিনি আরও জানান, মিজানুরের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের কোনো মামলা নেই।
মিজান বলেন, ‘আমাকে গাড়ি থেকে নামানোর পর আরও কয়েকটি গুলির শব্দ শুনি। পরে দেখি হাফিজুর নামে আমার এক পরিচিতের পায়েও গুলি করা হয়েছে।’ এ বিষয়ে গুলিবিদ্ধ হাফিজুর রহমানের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক বলেন, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ওই দুজনহ মোট পাঁচজন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। টহল পুলিশ সেখানে গেলে তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালান। বোমা বিস্ফোরণের পর পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে হাফিজুর ও মিজানুর পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। অন্য তিনজন পালিয়ে যায়। তাঁর দাবি, এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মাদকের মামলা রয়েছে।
বাড়ি থেকে ধরে এনে গুলি করা হয়েছে—মিজানুরের এমন অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য অপরাধীরা এমন কথা বলে থাকে।
এ বিষয়ে এসআই শোয়েব উদ্দীন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি এই প্রতিবেদককে পুলিশের মিডিয়া সেলে কথা বলার পরামর্শ দেন।