হাটিকুমরুল বনপাড়া বাইপাশ সড়কে নৈশ্যকোচ ডাকাতির প্রস্তুতি কালে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাড়াশ থানা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের পর ৫ ডাকাতকে আটক করেছে তাড়াশ থানা পুলিশ। এ সময় ওসিসহ ৫পুলিশ আহত হয়েছেন। আটককৃতদের বাড়ি বগুড়ার শেরপুর উপজেলা ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘরগ্রাম এলাকার দক্ষিণে ডাকাত দলকে ঘিরে ফেলে। এ সময় ডাকাতদের একটি গ্রুপ সটকে পড়ে। অন্য গ্রুপটি নিরুপায় হয়ে পুলিশের উপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায় এবং এক পর্যায়ে ৫ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হয়। আকটকৃত ডাকাতরা হলেন- ডাকাত সর্দার বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সিমলা সাতবাড়িয়ার গ্রামের ইসমাইলের পুত্র মোমিন (৩৫), তাড়াশ উপজেলার ঘরগ্রাম মোহাম্মদপুর গ্রামের ছরমান আলীর পুত্র সানোয়ার (৩৬), বেলায়েত হোসেনের পুত্র আবুল কালাম (৩২),আহাদ আলী মন্ডলের পুত্র আলহাজ(২৭) ও গৌরিপুর গ্রামের মফেল সরদারের পুত্র জিয়া সরকার (৩৪)। ডাকাতদের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের ১৬ রাউন্ড গুলি ব্যবহৃত হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত আব্দুল মোমিন পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে দেশিয় তৈরি ১টি শটগান, ৫ রাউন্ড গুলি, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি চাপাতি, ১টি রামদা ও ১টি হাসুয়া। তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, আটককৃত ডাকাত আবুল কালাম কোর্ট থেকে জামিন নেবার পর আবার সঙ্গীদের সাথে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধে তাড়াশ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।