শেয়ারবাজারে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

 
শেয়ারবাজারে রবিবার সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ঊর্ধ্বমূখী প্রবণতা দিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকেনি। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সূচক ওঠানামার ক্ষেত্রে কয়েকটি শেয়ার বেশি প্রভাব রেখেছে।
লেনদেনকৃত ৩০৩টি কোম্পানির মধ্যে ৩ শতাংশের চেয়ে বেশি দাম কমেছে ২৭টি কোম্পানির। আর ৩ শতাংশের চেয়ে বেশি দাম বেড়েছে ৩৭টি কোম্পানির। এদিকে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডেসকোর শেয়ার। দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সোনালী আঁশ, কোহিনূর ও ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের শেয়ার এগিয়ে ছিল।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৫৩ কোটি ২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৩টির, কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ১ কোটি টাকা বেশি।  লেনদেনকৃত ২১৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টির কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তিতাস, এমারেল্ড ও সাইফ পাওয়ারটেকের প্রথম প্রান্তিকের আয় বেড়েছে। আর হা-ওয়েল, সুহূদ ও গোল্ডেন হার্ভেস্টের আয় কমেছে। 
তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাস কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে  ১০ শতাংশ। প্রথম প্রান্তিকের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আর ইপিএস ২ টাকা ৩৭ পয়সা। আগের বছর যা ছিল যথাক্রমে ২১৩ কোটি ৮৫ লাখ  টাকা ও ২ টাকা ১৬ পয়সা। 
এমারেল্ড অয়েলের ইপিএস বেড়েছে ৩৯ শতাংশ। কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আর ইপিএস ৬৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে  কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ১ কোটি ৩২ লাখ  টাকা। আর ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা। সাইফ পাওয়ারটেকের ইপিএস বেড়েছে ৭১ শতাংশ। কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর ইপিএস ৭৭ পয়সা। 
অন্যদিকে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের হা-ওয়েল টেক্সটাইলের ইপিএস কমেছে ৩৯ শতাংশ। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। আর ইপিএস ৮৮ পয়সা। সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস কমেছে ২৩ শতাংশ। কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা। গোল্ডেন হার্ভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস কমেছে ১৮ শতাংশ। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩  কোটি ৪২ লাখ টাকা।