ছাত্রলীগ যুবলীগের গণ্ডগোল শিক্ষা ভবনে

ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বুধবার রাজধানীর শিক্ষা ভবনে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এতে পুরো ভবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গণ্ডগোলে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো গতকালও যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম-সমর্থিত হিসেবে পরিচিত একদল কর্মী-ক্যাডার শিক্ষা ভবন চত্বরে মহড়া দেয়। পাশাপাশি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান-সমর্থিত আরেক দলও ভবনে প্রবেশ করে। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন আহত হন। পরে আহত মিজানুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা থাকলেও তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেননি।
শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি গত এক মাসেও শিক্ষা ভবনে যাননি। মিজানুরই একাধিক উপদল করে মারামারি করেছেন।
তবে মিজানুর রহমান দাবি করেন, গতকাল ভবনে একপর্যায়ে ‘হুড়াহুড়ি’ শুরু হলে তিনি এগিয়ে যান ঘটনা জানার জন্য, তখন শফিকুল ইসলামের লোকজন তাঁর ওপর অকর্তিতে হামলা চালায়।
রাতে মিজানুর শাহবাগ থানায় মামলা করতে যান। তিনি বলেন, শফিকুল ইসলামও থানায় উপস্থিত হয়ে প্রভাবিত করছেন। রাত নয়টার দিকে শাহবাগ থানায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখনো মামলা হয়নি।