শেয়ারবাজারের সূচক ও লেনদেনে আবারো পতনমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে পতনের প্রবণতা দেখা গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। একই সঙ্গে কমে গেছে লেনদেনের পরিমাণ। রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪৮ কোটি টাকার। এর আগে সাড়ে তিন শ কোটি টাকার নিচে লেনদেন হয়েছিল ২৪ জুলাই। অর্থাত্, প্রায় চার মাস পর ডিএসইতে লেনদেন হলো সাড়ে তিন শ কোটি টাকার নিচে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে সূচকের পতনের চেয়ে লেনদেন কমে যাওয়া বেশি শঙ্কার কারণ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কারণেই লেনদেন কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
তথ্যে দেখা গেছে— রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬১ কমে ৪ হাজার ৮৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২৯ কমে ১ হাজার ৭৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ২০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮১ কমে ১৪ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২১৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ১৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের।