আসামি ও আইনজীবীদের তোপের মুখে সিআইডির কনস্টেবল

সিরাজগঞ্জে আসামিকে আটক করতে গিয়ে জনতা ও আইনজীবীদের তোপের মুখে পড়েছে জেলা পুলিশের অপরাধ বিভাগের (সিআইডি) কনস্টেবল আব্দুল বারিক।  সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, আইনজীবী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শাহজাদপুর উপজেলার রাউতারা গ্রামের হাজী মনিরুল ইসলামের পুত্র বাচ্চু মিয়াসহ প্রায় ২০ জন একটি হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতে আসেন। আদালতে হাজিরা শেষে বাহিরে বের হলে সিআইডি কনস্টেবল আব্দুল বারিক তার পরিচয় না জানিয়ে বাচ্চু মিয়াকে আটকের চেষ্টা করে। এ সময় বাচ্চু মিয়ার সাথে থাকা অন্যরা বাধা দেয়। এতে এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটলে উপস্থিত আইনজীবীরা কনস্টেবল আব্দুল বারিক ও বাচ্চু মিয়াকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এ্যাড. আব্দুল হামিদ লাভলুর চেম্বার কক্ষে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম ও সিআইডি পরিদর্শক আব্দুল রশিদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনজীবী নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সিআইডি কনস্টেবল আব্দুল বারিককে নিয়ে যায়।
সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এ্যাড. আব্দুল হামিদ লাভলু জানান, হঠাৎ করেই আদালত প্রাঙ্গণে ধস্তাধস্তির খবর পেয়ে অন্যান্য আইনজীবীদের সাথে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে ঘটনার সাথে জড়িত সিআইডির কনস্টেবল ও আদালতে হাজিরা দিতে আসা বাচ্চু মিয়াকে তার চেম্বার কক্ষে রেখে পুলিশে খবর দেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাসুদেব সিনহা জানান, বিষয়টি নিছক ভুল বোঝাবুঝি। 
সিরাজগঞ্জ সিআইডি পরিদর্শক আব্দুর রশিদ জানান, আব্দুল বারিক আদালত এলাকায় আসামি আটক করতে যায়নি। তার পরিচিত কিছু লোকজনের সাথে দেখা করতে গেলে এই ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটে।