কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পঞ্চাশ শয্যার হলেও একত্রিশ শয্যার জনবল দিয়ে চিকিত্সাসেবা চলছে। এতে রোগী এবং ডাক্তার উভয়ের সমস্যা বিরাজমান। গত সাত-আট বছর ধরে পাঁচজন ঝাড়ুদার থাকলেও মূলত দুইজন ঝাড়ুদার কাজ করছেন। বাকি তিনজন প্রেষণে কুড়িগ্রামে কর্মরত। মাস গেলে মাসের বেতন তুলে নেন ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে। পঞ্চাশ শয্যার হাসপাতাল দুজন ঝাড়ুদার কিভাবে পরিষ্কার রাখতে পারে? বিশেষ করে রোগীদের শয্যার পাশে ল্যাট্রিনের গন্ধে কোনো কোনো রোগীর অসুস্থতা বেড়ে যায়। এদিকে আঠারো জন এমবিবিএস ডাক্তারের পদ থাকলেও মাত্র দুজন ডাক্তার চিকিত্সা দিচ্ছেন ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ফলে অনেক রোগী বাধ্য হয়ে ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা গুনছেন। অপারেশন থিয়েটার চালু নেই। এক্স-রে মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। ইসিজি ও আলট্রাসনোগ্রাম সীমিত পরিসরে চালু রয়েছে। সার্জারি, গাইনি ও মেডিসিন কনসালট্যান্ট নেই। শিশু বিভাগের কনসালট্যান্ট পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। স্থানীয় রোগীদের চিকিত্সা নিশ্চিত করতে ডাক্তার ও জনবল প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এস এম গোলাম মোস্তফা
ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম