গাজীপুরে র্যাব ও পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫টি অগ্নেয়াস্ত্র, ১৬৪ রাউন্ড গুলি, নগদ অর্থসহ তিন জনকে আটক করেছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, র্যাব-১ এর লে. কমান্ডার কাজী মোঃ শোয়াইব এবং এএসপি মোঃ ফজলে এলাহীর নেতৃত্বে সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজারস্থিত কলমেশ্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে চাঁদপুর জেলার ছেংগাচর থানার ষাটনল গ্রামের মোঃ বাদশা মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী মোঃ জুয়েল (২৫) কে আটক করে। তার কাছ থেকে ৩টি বিদেশী পিস্তল, ৪টি পিস্তলের ম্যাগজিন, ৪০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১রাউন্ড থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি, ১টি শর্টগান, ৬৩ রাউন্ড শর্টগানের গুলি, ৫০ রাউন্ড শর্টগানের গুলির খোসা, ১টি ল্যাপটপ, ১৪টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল সেট, ১টি মোটর সাইকেল ও নগদ ৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে। র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত জুয়েল জানায়, কলমেশ্বর এলাকার মোঃ আব্দুস সামাদ বাটার ছেলে মোঃ মশিউর রহমান মশি, একই এলাকার মোঃ বাদল, মোঃ হেলাল উদ্দিন ও মোঃ বিল্লাল হোসেন তার সঙ্গে অপরাধ কর্মে জড়িত রয়েছে। আটককৃত জুয়েলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব আরো জানায়, উল্লেখিতরা গাজীপুরসহ ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজী, অস্ত্রবাজী, অস্ত্র ব্যবসা, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। এ চক্রটি কয়েকজন প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। র্যাব জানায়, পলাতক আসামি মোঃ মশিউর রহমান মশির বিরুদ্ধে গত ১ সেপ্টেম্বর কালিয়াকৈরে নিটল টাটা গার্মেন্টসে সংগঠিত ঘটনায় নিহত সোহেল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। সে খুব অল্প সময়ে অবৈধ উপায়ে বিশাল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়ে যায়। মাদকাসক্ত মশিউর রহমান মশির প্রমোদ খানায় নিয়মিত নারী ও মাদকের আসর বসত।
এদিকে জয়দেবপুর থানার ভোগড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোবারক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাতে মাদক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম এলাকার নবাব আলীর ছেলে আলী আকবর (৪০) ও একই এলাকার তাহের আলীর ছেলে শামীম আল মামুন (২৯) কে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেয়া তথ্যমতে আলী আকবরের রান্না ঘরের মাটির নীচ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও একটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।