রেহান রাসূল। রেডিও জকি হিসেবে কর্মরত আছেন এবিসি রেডিওতে। গত ঈদে ‘বাজে স্বভাব’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ হয় তার। জনপ্রিয়তাও পায় গানটি। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তিনি। গানের বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন নুরুল করিম
কেমন আছেন?
ভালো আছি।
‘বাজে স্বভাব’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেলো। কেমন লাগছে?
আমার গানটি সবাই শুনছে, গাইছে—এটি অসাধারণ একটা অনুভূতি। যখন গানটি কারো মুখে শুনি তখন সবচেয়ে ভালো লাগে। সবচেয়ে ভালো লাগছে এই ভেবে যে, গানটির কথা, সুর আমার নিজের।
গানটি এত জনপ্রিয়তা পাবে—গাওয়ার আগে কি সেটা মনে হয়েছিল?
না। আমি শুধু ফ্যানদের আরেকটু কাছাকাছি আসতেই গানটি করেছি। তবে তখন মনে হয়নি এতটা জনপ্রিয় হবে গানটি। আর এই গানের এক-একটা লাইন এক-এক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসে। গানে একটা কন্ট্রোভার্শিয়াল লাইন আছে, ‘কারো একদিন হবো, কারো এক রাত হবো, এর বেশি কারো রুচি হবে না’। এই লাইনটা আসলে আমার কিছু শ্রোতার জন্য লেখা। তারা হঠাত্ করে এক রাত আমার শো শোনে আবার শোনে না, হারিয়ে যায়। তাদের জন্যই এ গান আমার লেখা। গানটি জনপ্রিয় হওয়ার চাইতে বড় ব্যপার হলো আমার উদ্দেশ্য সফল।
আপনার এমন কোনো বাজে স্বভাব আছে? যেটা কখনো যাবে না!
হা হা হা। আমার অনেক বাজে স্বভাব আছে যেগুলো কোনোদিন যাবে না!
বাজে স্বভাব প্রকাশের পর আপনার মধ্যে কি কোনো পরিবর্তন এসেছে?
বাজে স্বভাবের আগের রেহান যেমন, এখনো তেমনই আছে! তবে তার শ্রোতাদের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। এখন তারা আরজে রেহানের পাশাপাশি গায়ক রেহানকেও চেনেন! নতুন যারা শ্রোতা তাদের ক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন এসেছে।
নতুন কোনো গান আসছে?
ডিসেম্বরে ‘বাজে স্বভাব-২’ প্রকাশ করবো। সবকিছু ঠিক থাকলে তৃতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন প্রকাশ করবো। তবে এটা বাজে স্বভাব থেকে একদম আলাদা। গানের সুর থেকে শুরু করে কথা—কোনোটাই মিলবে না প্রথম গানটির সাথে।
আপনি তরুণদের একটি গানের অনুষ্ঠান করেন রেডিওতে। তরুণ যারা গায়ক হতে চায় তাদের সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা থেকে বলুন—
এখনকার তরুণরা গান শেখার চাইতে পারফর্মার হতে চায়। গান হলো কি-না সেটা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি তাদেরকে বলবো গান শেখার বিষয়। না শিখে পারফর্মার হতে চাওয়া ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক!