বিনা টেন্ডারে যশোর কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরের ছয়টি পুরোনো গাছ বিক্রি হয়েছে মাত্র দুই হাজার টাকায়। অথচ এসব গাছের প্রতিটির মূল্য আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। কমিশনারেট কার্যালয়ের রাজস্ব কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম খান ঐ ছয়টি গাছ বিক্রির কথা স্বীকার করেন। গাছগুলো কেনেন অফিস সহকারী মিন্টু। অথচ নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কার্যালয়ের কোন কিছু বিক্রি করতে হলে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয়।
সূত্র জানায়, যশোর কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরে বেশ কিছু পুরাতন গাছ রয়েছে। কিন্তু ঐ দপ্তরের ৬টি গাছ বিনা টেন্ডারে অফিস সহকারী মিন্টুর কাছে মাত্র ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এসব গাছের মধ্যে রয়েছে মূল্যবান ২টি ক্রিসমাস গাছ, ৩টি আমগাছ ও একটি কাঁঠাল গাছ। শনিবার সরকারি অফিস ছুটির দিনে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে এ গাছ বিক্রি ও কাটা হয়।
গাছ কেনা প্রসঙ্গে অফিস সহকারী মিন্টু বলেন, ভবন নির্মাণ করার জন্য ২টি গাছ কাটা হয়েছে। আমি ঐ গাছ ২ হাজার টাকায় কিনেছি। কে বিক্রি করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশনার স্যারের কাছ থেকে কিনেছি।
কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরের রাজস্ব কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম খান জানান, ভবন নির্মাণ করার জন্য ঐ জায়গার গাছ কাটার প্রয়োজন ছিল। গাছগুলো কেটে ঐ জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণ করবো। গাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। তিনি বিনা টেন্ডারে মাত্র ২ হাজার টাকায় ৬টি গাছ বিক্রির কথা স্বীকার করেন।