মিলে তৈরি মুড়ির কাছে মার খাচ্ছে হাতে তৈরি মুড়ি

এক সময় মুড়ি খেলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যারাম কমতো। এখন মুড়ি খেলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যারাম বাড়ে। এক সময় গ্রামের মানুষের সকালের নাস্তা ছিল মুড়ি। এই মুড়িতে ভেজালের কারণে এখন আর গ্রামের মানুষ সকালে নাস্তা হিসাবে মুড়ি খায়না। 
উপজেলার প্রতিটি গ্রামের মহিলারা মাটির তৈরি পাতিলে করে লবণ পানি দিয়ে মুড়ি তৈরি করতেন। শীত মৌসুম আসার আগেই তারা মুড়ি তৈরি করে ঘরে রাখতেন। সকালে রোদে বসে গ্রামের মানুষ সকালের নাস্তা হিসাবে মুড়ি খেত। মিলে তৈরি মুড়ির সাথে হাতে তৈরি মুড়ি প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এখন আগের মত গ্রামের মহিলারা মাটির তৈরি পাতিল দিয়ে মুড়ি তৈরি করে না। মিলে তৈরি মুড়ি দেখতে সুন্দর। দামে কম হওয়ায় মানুষ মিলে তৈরি মুড়ির দিকে ঝুকে পড়ে পড়েছে।
কৈয়ারচালা গ্রামের মহিলা পারভিন জানান, মিলে তৈরি মুড়িতে সারসহ নানান উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। তারা যে মুড়ি তৈরি করে তাতে কোন ক্ষতিকারক উপাদান থাকে না। তাদের হাতে তৈরি মুড়ি খেলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যারাম কমে। হাতে তৈরি মুড়ির দাম একটু বেশি ও দেখতে তেমন সুন্দর না হওয়ায় মানুষ বাজারে পাওয়া মিলে তৈরি মুড়ির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হাতে তৈরি মুড়ি এখন আর গ্রামের মহিলারা তৈরি করে না। 
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হারুন আল মাকসুদ জানান, রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি মুড়ি খেলে পেটের পীড়াসহ নানান রোগ হতে পারে। গ্রামের মহিলাদের হাতে তৈরি মুড়িতে কোন ক্ষতিকর উপাদান না থাকায় এ মুড়ি নিরাপদ।