ডিএসইর সূচক ও লেনদেনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত

 
 
 
 
আগের দিনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারও দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। বাজারে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর চাহিদা বাড়ায় সূচক বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সশ্লিষ্টরা।
তথ্যে দেখা গেছে— মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৪ বেড়ে ৪ হাজার ৯৩২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৩৮ বেড়ে ১ হাজার ৮৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকাা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩২ কোটি ৩ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২০টির, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮২ বেড়ে ১৫ হাজার ১৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকাা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২১৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৫টির, কমেছে ৬৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে— চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ১২টি কোম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে চলে এসেছে। এ সব মিলিয়ে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪। কোম্পানিগুলো হচ্ছে— ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, আরএন স্পিনিং, বিডি ওয়েল্ডিং, ফারইস্ট ফিন্যান্স, সোনারগাঁও  টেক্সটাইল, শাইনপুকুর সিরামিকস, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস এবং তাল্লু স্পিনিং। আরএন স্পিনিং ছাড়া অন্য  কোম্পানিগুলো সমাপ্ত অর্থবছরে শর্ত অনুযায়ী লভ্যাংশ ঘোষণা না করায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। শর্ত অনুযায়ী ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে না পারলে কোম্পানিকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয় না। আর আরএন স্পিনিংয়ের রাইট শেয়ার নিয়ে পরিচালকদের জালিয়াতির অভিযোগে মামলা চলছে। এ কারণে এজিএম না হওয়ায় কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে চলে গেছে। এ দিকে, ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেন করে টাকা পেতে তুলনামূলক বেশি সময় লেগে যায়। এ ছাড়া, শেয়ারগুলোর বাজারদরও অনেক কমে যায়।