সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পুরক চার্জশীট বিষয়ে আগামীকাল বুধবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে আদালত।
এই সম্পূরক চার্জশিটে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছ ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা হারিছ চৌধুরীসহ নতুন করে ১১ জন আসামীকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
এ হত্যা মামলার ধার্য তারিখে আগামীকাল হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া আক্তারের আদালতে সম্পুরক চার্জশীটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আদালতে এই সম্পূরক চার্জশিট গৃহীত হলে এ মামলার বিচার কাজ শুরু হবে।
চলতি মাসের ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া আক্তার আদালতে এ সম্পুরক চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশীটে নতুন অন্তর্ভূক্ত আসামীরা হলেন, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গউছ, বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা হারিছ চৌধুরী, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি তাজ উদ্দিন, মুফতি সফিকুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, বদরুল, মহিবুর রহমান, কাজল আহমেদ, হাফেজ ইয়াহিয়া।
এর আগে চার্জশীটভূক্ত ইউসুফ বিন শরীফ, আবু বক্কর আব্দুল করিম ও মরহুম আহছান উল্লাহকে চার্জশিট থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।
২০০৫ সালের ১৯ মার্চ সিআইডির সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রথম চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১১ সালের ২৮ জুন কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া চার্জশীটের উপর হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল কোর্টে না-রাজি আবেদন করেন।
২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি হত্যাকান্ডের অধিকতর তদন্তের লক্ষে চার্জশীটের না-রাজি আবেদন গ্রহণ করেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। পরে সিআইডি’র এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুলকে নতুন করে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী ছিদ্দিক আলী, আবদুর রহিম ও আবুল হোসেন নিহত হন । এছাড়া হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি, অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ ফারুক, আবদুল¬াহ সর্দারসহ আওয়ামী লীগের ৭০ জন নেতাকর্মী আহত হন ।