দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড নিয়েও প্রশ্ন

ডা. শামারুখ মাহজাবিন সুমীর মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। প্রথা অনুযায়ী দ্বিতীয়বার যিনি ময়না তদন্ত করবেন তিনি প্রথম ময়না তদন্তকারী চিকিত্সকের চেয়ে জ্যেষ্ঠ হওয়ার কথা। কিন্তু শামারুখের ময়না তদন্তের জন্য বোর্ড গঠনের সময় এটি মানা হয়নি। এদিকে, যে চিকিত্সককে ময়না তদন্ত টিমের প্রধান করা হয়েছে তিনি সহকারী অধ্যাপক হলেও এ সংক্রান্ত চিঠিতে তাকে উল্লেখ করা হয়েছে সহযোগী অধ্যাপক। এ নিয়েও বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন গতকাল মঙ্গলবার কারবালা গোরস্থান থেকে লাশ তোলার প্রস্তুতি নিলেও তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি মুন্সী রুহুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে সিআইডি’র দলটি যশোরে পৌঁছতে দেরি করে। এ কারণে লাশ তোলার কার্যক্রম একদিন পিছিয়ে আজ বুধবার করা হবে বলে জানান যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ন কবির।

যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এবিএম নাজমুল হুদাকে ‘সহযোগী অধ্যাপক’ উল্লেখ করে তার নেতৃত্বে বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে। যশোরের সিভিল সার্জন ডা. আতিকুর রহমান এই মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। ডা. এবিএম নাজমুল হুদাকে সহকারী অধ্যাপক বলে ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবুল মওলা চৌধুরী।