পাবনার আটঘরিয়ার ধলেশ্বর গ্রামের মহিদুল তার শিশু সন্তান সোহাগকে (২) কুপিয়ে হত্যার পর নিজেই নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। এসময় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে টুনি খাতুন নামের অপর একজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন তিনি। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে। গুরুত্বর আহত মহিদুল ও টুনি খাতুনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আটঘরিয়া থানার ওসি জানান, মহিদুল মানসিক রোগে ভুগছিলেন। গতকাল বাড়িতে তার স্ত্রী সুলতানাকে মারপিট করেন। এসময় তার দুই বছরের শিশু সন্তান সোহাগকে ছিনিয়ে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।