সাত খুন: আরো ২ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নারায়ণগঞ্জ চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য পৃথক দুইটি আদালতে দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- র‌্যাব-১১ এর হাবিলদার ও গাড়িচালক নাসির উদ্দিন এবং কনস্টেবল বাবুল হাছান।
রবিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ারা বেগমের আদালতে র‌্যাবের হাবিলদার ও গাড়িচালক নাসির উদ্দিন এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান শরীফের আদালতে কনস্টেবল বাবুল হাছানের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে নাসিরউদ্দিন গত মঙ্গলবার থেকে রিমান্ডে ছিল। আর রবিবার কনস্টেবল বাবুল হাছানকে ডিবির কাছে হন্তান্তর করে র‌্যাব-১১।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখওয়াত হেসেন খাঁন জানান, কনস্টেবল বাবুল হাছান সাত খুনের মূল হোতা মেজর আরিফ হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। তিনি কিলিং মিশনের পুরো বর্ণনা দিয়েছেন। অপরদিকে র‌্যাব সদস্য নাসির উদ্দিনও কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ ডিবির ওসি মামুনুর রশীদ মন্ডল জানান, সাত খুনের  ঘটনায় দায়েরকৃত দুইটি মামলায় ওই দুইজন জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।
সাত খুনের ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় পৃথকভাবে দুইটি মামলা দায়ের করেন। ওই দুইটি মামলাতেই পৃথকভাবে জবানবন্দি দেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল নাসিকের প্যানেল মেয়র নজরুল, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।