পাবনার চাটমোহরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পণ্ড হয়ে গেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা। সোমবার দুপুরে বিশেষ বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষ ও লাঠিচার্জে পুলিশসহ অন্ততঃ ১৫ জন আহত হয়। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ডাকবাংলোর ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে স্থানীয় ডাকবাংলোতে সম্মেলন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সমন্বয়ে সভার আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো ও যুগ্ম সম্পাদক পৌর মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল পৃথকভাবে কর্মী-সমর্থকের সমাবেশ ঘটান। দুপুর ১টার দিকে উভয় পক্ষই মিছিল করে সভাস্থলে যায়। সেখানে দু’নেতার পক্ষেই মিছিল ও পাল্টা মিছিল হতে থাকে। এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বেধে যায় সংঘর্ষ। চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি ও মারামারি শুরু হলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে। এ সময় সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। সংঘর্ষ চলাকালে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ডাকবাংলোর ভেতর অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে সভা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। জেলা নেতৃবৃন্দ পুলিশ প্রহরায় সভাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ব্যাপারে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম. সাইদুল হক চুন্নু বলেন, বুধবার দু’পক্ষের নেতাদের নিয়ে পাবনায় বসে সমঝোতা করা হবে। না হলে চাটমোহর উপজেলাকে বাদ রেখেই ২০ ডিসেম্বর পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।