নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমেছে

 
 
 
 
চালের দাম কমে যাওয়ায় নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে সাধারণ মূল্যস্ফীতিতে।  পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে নভেম্বর মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ২১ শতাংশ। অক্টোবর মাসে এ হার ছিল ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরের একই সময়ে (নভেম্বর) মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে নভেম্বর মাসের ভোক্ত সূচক (সিপিআই)ও মূল্যস্ফীতির হার প্রকাশ করে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সোরাইয়া বেগম, বিবিএসের মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল। এ ছাড়া, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভূইয়া শফিকুল ইসলামস ছাড়াও বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ।
বিবিএস জানিয়েছে, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমকি ৪৪ শতাংশ। অক্টোবরে যা ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর এক বছর আগে অর্থাত্ গত অর্থবছরের নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অন্য দিকে, নভেম্বর মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৫ দশমিক ০৮ শতাংশ।বিবিএসের বিশ্লষণে দেখা যায়, নভেম্বর মাসে চালের দাম কমেছে। এ কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কমেছে। তবে অক্টোবর  মাসের তুলনায় নভেম্বর মাসে ডাল, শাক-সবজি, ফল, মসলা,  ভোজ্য তেলসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত পণের মধ্যে পরিধেয় বস্ত্র, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালীর সামগ্রী, চিকিত্সা সেবা, পরিবহণ, শিক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন দ্রব্য ও সেবার দাম বেড়েছে। এ কারণে অক্টোবর মাসের  তুলনায় নভেম্বর মাসে  খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি হয়েছে শুন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ।