থাইংখালী বনের গাছ সাবাড় করে চলেছে সংঘবদ্ধ পাচারকারীরা। স্থানীয় গ্রামবাসীর অভিযোগ, থাইংখালী বনবিটের দুই একজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে কাঠ পাচারকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এখন তারা সামাজিক বনের গাছগাছালিও রাতের আঁধারে লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রায় ১১ হাজার একর জমি নিয়ে গড়ে ওঠা থাইংখালী বনের কাঠ সম্পদ নিঃশেষ ও বনভূমি এখন বেহাত হওয়ার উপক্রম। সম্প্রতি দিন দুপুরে থাইংখালী বন বাগানের কাঠ পাচারের সময় কক্সবাজার বন বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল সরকার হাতে নাতে চোরাই কাঠ ভর্তি একটি চাঁদের গাড়ি আটক করেন। এসব কাঠ পাচারে প্রত্যক্ষ জড়িত থাকায় বালুখালী বনবিট কর্মকর্তা শাহজাহানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় থাইংখালী বনবিট আরেক কর্মকর্তা। থাইংখালী গ্রামের আব্দুস সালাম, আলী আকবরসহ একাধিক লোকজন জানান, থাইংখালী সামাজিক বনায়নের গাছ লুটপাট ও বনভূমির জমিজমা কেনাবেচার ঘটনায় কয়েকজন অসাধু বিট কর্মকর্তা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে থাইংখালী বনবিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, পাচারকারীরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অবৈধ বালি উত্তোলন, পাহাড় কাটা, সামাজিক বনায়নের গাছ লুটপাটসহ বনভূমিতে প্রতিটি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের নেপথ্যে অসাধু কর্মকর্তারা জড়িত।