চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত তাপস সরকার খুনের দুইদিন পর ছাত্রলীগের একাংশের ৩০ নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত তাপস সরকারের বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত ও পালি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম গতকাল সকালে বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। মামলা নং-১৭। আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশা, ছাত্রলীগ কর্মী রুবেল দে, শাহরিদ শুভ, ফরহাদ হোসেন ও এনামুল হাসান অভিসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘তাপস সরকারের সহপাঠী হাফিজ বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত করে প্রকৃত আসামিদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। মামলাটি তদন্তের জন্য হাটহাজারী থানার উপ-পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য, শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধ ‘স্মরণ’সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ ভবন দৃষ্টিনন্দন আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়। ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২.০১ মিনিটে বিউগল বাজিয়ে বিজয় দিবসের সূচনা লগ্নকে স্বাগত জানানো হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিএনসিসি’র গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ। ১৬ ডিসেম্বর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।