জাপানের সঙ্গে ৩-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার
জাপানের কাছে ৩-০ গোলের হারের পর ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ সাইফুল বারী টিটু টেকটিক, ট্যাকটিস ও ফিটনেসের ঘাটতিকে দুষলেন। অন্যদিকে জাপান কোন তিগুরামরি মাকতু বলেন, খেলার আগে আমরা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের খুটিনাটি সব বিষয় দেখেছি।
ওদের ফরোয়ার্ডে তিনটা ছেলে, (সোহেল রানা, এমিলি ও জাহিদ) খুব ভালো খেলে। আমরা ওদেরকে বেধেঁ রেখার চিন্তা করেছি। এই পরিকল্পনায় আমরা সফল।’
বৃহস্পতিবার জাপান অনূর্ধ্ব-২১ দলের কাছে হারের ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ কোচ বললেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা আমাদের সেরাটা খেলতে পেরেছি। কিন্তু ৭০ মিনিটের পর আমরা খেলায় মনোসংযোগ রাখতে পারিনি।’ খেলার টার্নিং পয়েন্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রথম গোলটাই খেলার টার্নিং পয়েন্ট। এক গোল খেয়ে যাওয়ার পর আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারিনি।
’ জাপান কোচেরও প্রায় একই মত, ‘প্রথম গোল করার পর আমি দেখেছি গ্যালারিতে দর্শক সংখ্যা কমছে। কারণ আমার ছেলেরা এতবেশি দর্শকের সামনে খেলতে অভ্যস্ত না। গ্যালারি ভর্তি দর্শক দেখে তারা আতঙ্কে ছিলো। কিন্তু প্রথম গোল করার পর আমি দেখলাম গ্যালারি ফাঁকা হচ্ছে। যার কারণে পরের দুটি গোল করতে আমাদের কোন সমস্যা হয়নি।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রথমার্ধ ০-০ থাকার পরও আমরা বিচলিত হইনি। দ্বিতীয়ার্ধ শেষে আমি খেলোয়াড়দের বলেছি, ‘২০১৪ সালের জন্য তোমরা আর মাত্র ৪৫ মিনিট পাবা। এই সময়টা তোমরা কি ভাবে শেষ করবে তোমরা নিজেরাই ঠিক করো। প্রথমার্ধ শেষে আমি তাদের বলেছি খেলায় আমরা এখনও এগিয়ে। তোমরা হতাশ হয়ো না। নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলে যাও।’
নতুন মৌমুসের শুরুতেই আয়োজিত হবে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ। যেখানে খেলার কথা কয়েকটি বিদেশি দলের। গোল্ডকাপে নিজেদের সেরাটা খেলতে হলে তার আগে কমপক্ষে এরকম আরো দুটি ম্যাচ খেলার ব্যাপারে তাগিদ দিয়ে কোচ টিটু বলেন, ‘জাপান অভিজ্ঞ দল। ওদের ডিফেন্স অনেক শক্তিশালী। তারা বিভিন্ন দেশে ম্যাচ খেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। যেটা আমরা করতে পারিনি। গোল্ডকাপ শুরুর আগে অনুশীলনের জন্য আমি সর্বোচ্চ একমাস সময় পাবো। ক্যাম্প শুরুর এক সপ্তাহ পর একটি এবং শেষ দিকে এই ধরনের আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারলে গোল্ডকাপের জন্য ভালো হবে।’