উপজেলার কুমারখালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির নেতারা অর্ধশতাধিক তরতাজা মেহগনি ও বকনগাছ কাগজে-কলমে মরা দেখিয়ে কেটে নিয়েছেন। এভাবে গাছ কাটায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কুমারখালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি ২০০২ সালে উপজেলার কুমারখালী, ছোট পিঙ্গুইন, বড় পিঙ্গুইন, বড়দেহা, কুরশাইট, দামাইপুর ও মিয়াপুর এলাকার গ্রামীণ সড়কের দুই পাশে মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করে। প্রতিটি গাছই বেশ তরতাজা এবং লম্বা। কিন্তু শুক্রবার সমিতির তত্ত্বাবধানে কিছু শ্রমিক ছোট পেঙ্গুইন এলাকার রাস্তার দুই পাশের গাছ কাটতে শুরু করেন। এ পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ টাকার ৪৮টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
পেঙ্গুইন গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সমিতির সদস্য। অথচ আমাদের না জানিয়ে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেও তা রক্ষা করতে পারিনি।’
রাস্তার পাশের এক জমির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে সমিতির কার্য্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে গাছগুলো মরা দেখিয়ে তা কেটে ফেলা হয়েছে।’
সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলালউদ্দিন বলেন, ‘শুনেছি কিছু সদস্য গাছ কাটছেন। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’
উপজেলা প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মরা গাছ দেখিয়ে তাজা গাছ কাটা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত মে মাসের শুরুর দিকেও একইভাবে ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেন সমিতির কর্মকর্তারা।