কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশ উপস্থিতিতে প্রায়ই সড়কে গণডাকাতি সংগঠিত হচ্ছে। শুক্রবার রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চান্দিনা-বদরপুর সড়কের ডুমুরিয়া ব্রিজ থেকে বেলাশহর ‘নিজেরা করি’ অফিস এলাকায় একই ধরনের গণডাকাতি সংগঠিত হয়।
এসময় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতাসহ সাধারণ যাত্রীদের সর্বস্ব লুটে নেয় ডাকাত দল। ডাকাতদের আঘাতে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু আহত হন।
উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন কালা বলেন, চান্দিনা-বদরপুর সড়কের ডুমুরিয়া ব্রিজ এলাকায় সর্বদাই ডাকাতির ঘটনা ঘটে চলছে। এ ঘটনার সময় ডুমুরিয়া ব্রিজ থেকে ২০ গজ পূর্ব দিকে চান্দিনা থানা পুলিশ পাহারা দিচ্ছিল। আমার গাড়িটি ঐ ব্রিজটি অতিক্রম করার পরপরই ডাকাত দল গাড়ির গতিরোধ করে ডাকাতি চালায়। এসময় ডাকাতের অস্ত্রের আঘাতে আমির আহত হয়। তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত আমির জানান, ব্রিজের একপাশে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে অপর পাশে যাত্রীবাহী সকল যানবাহন থামিয়ে এক এক করে ডাকাতি চলছে। বাঁধা দিলেই ডাকাত দলের মারধোর। এদিকে গণডাকাতির খবর পেয়ে এবং পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়ে সংবাদ সংগ্রহের জন্য ছুটে যান দৈনিক যায়াযায়দিন প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন। তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় নিজেরা করি অফিসের কাছাকাছি গেলে ডাকাত দল তার পথরোধ করে ডিজিটাল ক্যামেরা, দুইটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, স্বর্ণের আংটি লুটে নেয়।
গুরুত্বপূর্ণ ঐ সড়কে তিন চার জন পুলিশ কনস্টেবল পাহারায় থাকেন। ডাকাতরা তাদের উপস্থিতিতেই অনতি দূরে মানুষের ওপর আক্রমণ করে। ঐ সাংবাদিক অভিযোগ করেন, ডাকাতদের থেকে ছাড়া পেয়ে নিকটস্থ পুলিশের কাছে সাহায্যের অনুরোধ করলেও তারা এগিয়ে আসেনি। পরে তারা সিএনজি অটোরিক্সায় চড়ে ৩/৪টি টর্চ লাইট জ্বালিয়ে আসে। ততক্ষণে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গোলাম মোর্সেদ জানান, ঘটনাটি আমরা দেখবো এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।