ঘষিয়াখালী-মংলা আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত ১৪২টি শাখা নদী ও খালের বিদ্যমান বাধা অপসারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগ, পুলিশ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা মত্স্য কর্মকর্তা, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, রামপাল ও মংলা উপজেলার প্রতিনিধিরা আছেন। গত ১৫ ডিসেম্বর এই কমিটি গঠন করা হয়।
নৌ চ্যানেলের এসব নদী-খালের প্রায় প্রত্যেকটিতে রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীদের চিংড়ি ঘের। প্রবহমান খালে বাঁধ দিয়ে এসব ঘের করা হয়। যা শেষ পর্যন্ত মূল চ্যানেলের পানি প্রবাহ কমিয়ে দেয়। পলি জমার পরিমাণ বেড়ে যায়। এসব শাখা নদী ও খালের প্রবাহ ঠিক না করে বন্ধ থাকা ঘষিয়াখালী-মংলা চ্যানেল ড্রেজিং করে চালু করা হলেও নাব্যতা ধরে রাখা কঠিন হবে।
কমিটির সদস্য রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মো: আরিফ জানিয়েছেন, কমিটি কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ৩০টি ও চূড়ান্তভাবে ১৩টি নদী ও খাল চিহ্নিত করা হয়েছে। আজ থেকে বাঁধ অপসারণের কাজ শুরু হবে।